Home Sports সৌম্যের এ কষ্টটা বাংলাদেশই দিয়েছিল সবচেয়ে তীব্রভাবে  

সৌম্যের এ কষ্টটা বাংলাদেশই দিয়েছিল সবচেয়ে তীব্রভাবে  

by Afonso
0 comment
Rate this post

আজ নিউজিল্যন্ডের বিপক্ষে ব্যাটিং ধসে পড়েছিল বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের মধ্যে ৪৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ বহুবার গুটিয়ে গেছে এক শ-দেড় শ রানের মধ্যে। কখনো বা লড়াই করে দুইশ- আড়াই শ পর্যন্ত যেতে পেরেছে।

কিন্তু আজ বাংলাদেশ ২৯১ রান তুলেছে। এর পুরো কৃতিত্ব সৌম্য সরকারের। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর যেখানে ৪৫, সেখানে সৌম্যের রান ১৬৯। ১৫১ বলের ইনিংসে এক শ রানই তুলেছেন বাউন্ডারি থেকে। ২২ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসটি শেষ হয়েছে ইনিংসের শেষ ওভারে।

কিন্তু ১৬৯ রানের ইনিংসেও জয়ের স্বাদ পাননি সৌম্য। ৭উইকেটের জয়ে সিরিজও জিতে গেছে নিউজিল্যান্ড। এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি জিম্বাবুয়ে ছাড়া অন্য কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দেড় শ ছাড়ানো ইনিংস খেলেছেন। এবং সেই প্রথম দেড় শ রানের ইনিংসটিও দলের জয় এনে দিতে পারেনি।

শুধু বাংলাদেশ কেন, ওয়ানডে ইতিহাসেই দেড় শ রান করেও হারের ঘটনা খুব বিরল। দলের কেউ দেড় শ বা তার বেশি করেছেন, আর দল হেরেছে এমন ঘটনা মাত্র ২২টি। আর এমন দুর্ভাগা মাত্র ১৯ জন। কারণ, তিলকরত্নে দিলশান, রোহিত শর্মা ও ক্রিস গেইলকে এই যন্ত্রণা দুবার সহ্য করতে হয়েছে।

তালিকায় থাকা অন্য নামগুলো দেখে চাইলে একটু সান্ত্বনা খুঁজে নিতে পারেন সৌম্য। শচীন টেন্ডুলকার, রিকি পন্টিং, ডেভিড ওয়ার্নার, ম্যাথু হেইডেন, বাবর আজম- ফেলনা করার মতো নাম নয় একটিও।

আর ইনিংসের ক্ষেত্রে সৌম্যের চেয়ে বেশি রান করে হেরেছেন মাত্র সাতজন। ২০১৬ সালে পার্থে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৭১ রানের অপরাজিত ইনিংসেও জয়ের দেখা পাননি রোহিত শর্মা। সে বছরই কেপটাউনে ওয়ার্নার তাড়া করতে নেমে ১৭৩ রান করলেও জয় পায়নি অস্ট্রেলিয়া।

টেন্ডুলকারের দুঃখটা আরও বেশি। ২০০৯ সালে ঘরের মাঠে তাড়া করতে নেমে ১৭৫ রান করেও টেন্ডুলকারকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হারতে হয়েছিল। 

একই ভাগ্য বরণ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এভিন লুইস (১৭৬*), অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু হেইডেন (১৮১*)। এর মধ্যে আজ সৌম্যের ইনিংসটি ২০০৭ সালে হেইডেনের ইনিংসের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। কারণ, হেইডেনের ইনিংসটিও ছিল নিউজিল্যান্ডের মাটিতে। সেদিন হেইডেনের সুবাদে ৩৪৬ রান করেও জয় পায়নি অস্ট্রেলিয়া।

এরপরই আছেন ফখর জামান। ২০২১ সালে জোহানেসবার্গে ৩৪২ রানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন ভেঙে পড়েছিল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১ রানের অন্যদিকে ফখর করেছিলেন ১৯৩ রান। শেষ ওভারে ৩০ রানের প্রায় অসম্ভব এক লক্ষ্য নিয়ে প্রথম বলে আউট হয়ে যাওয়ায় আর বিশ্বরেকর্ডটা ছোঁইয়া হয়নি ফখরের।

সবচেয়ে বেশি রান করে বিশ্বরেকর্ডটি তাই চার্লস কভেন্ট্রির কাছেই রয়ে গেছে। ২০০৯ সালে বুলাওয়েতে বাংলাদেশের বিপক্ষে সে সময়কার বিশ্বরেকর্ড অপরাজিত ১৯৪ রান করেছিলেন জিম্বাবুয়ের এই ব্যাটসম্যান। কিন্তু তামিম ইকবালের ১৫৪ রানের ইনিংসে ৩১২ তাড়া করে ম্যাচ জিতে বাংলাদেশ। 



source

You may also like

Leave a Comment